নিচের কোনটি আতিথেয়তা শিল্পের অন্তর্গত নয়?
নিচের কোনটি আতিথেয়তা শিল্পের অন্তর্গত নয়?
-
ক
রেস্তোরাঁ
-
খ
স্বাস্থ্য সেবা
-
গ
হোটেল
-
ঘ
অবকাশ কেন্দ্র
সঠিক উত্তর হলো: B. স্বাস্থ্য সেবা।
আতিথেয়তা শিল্প বা 'Hospitality Industry' মূলত সেবা খাতের সেই অংশকে বোঝায় যা গ্রাহকদের আপ্যায়ন, আবাসন, খাবার এবং বিনোদনের সাথে সম্পৃক্ত। স্বাস্থ্য সেবা (Healthcare) একটি স্বতন্ত্র এবং অপরিহার্য সেবা খাত, যা মূলত চিকিৎসা ও নিরাময়ের সাথে যুক্ত, সরাসরি আতিথেয়তা শিল্পের মূল সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না।
আতিথেয়তা শিল্পের প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো:
আবাসন: হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট বা অবকাশ কেন্দ্র।
খাদ্য ও পানীয়: রেস্তোরাঁ, ক্যাফে, ফাস্ট ফুড চেইন এবং বার।
ভ্রমণ ও পর্যটন: পর্যটন কেন্দ্র, ট্রাভেল এজেন্সি এবং ক্রুজ শিপ।
বিনোদন ও ইভেন্ট: ক্লাব, কনসার্ট এবং বিভিন্ন উৎসব।
অবকাশ কেন্দ্র (Resort), হোটেল এবং রেস্তোরাঁ—এই তিনটিই গ্রাহকদের স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টির জন্য আতিথেয়তা প্রদান করে থাকে। অন্যদিকে, হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রগুলো চিকিৎসা বিজ্ঞানের অংশ হিসেবে বিবেচিত। তবে আধুনিক যুগে অনেক উন্নত হাসপাতাল রোগীদের জন্য 'হসপিটালিটি' বা উন্নত সেবার মান নিশ্চিত করলেও কাঠামোগতভাবে এটি আতিথেয়তা শিল্পের মূল অংশ নয়।
- পর্যটনকে কেন্দ্র করে যখন অর্থনীতি সমৃদ্ধি লাভ করে, তখন তাকে বলে- পর্যটন শিল্প বলে।
- পূর্বে পর্যটন সংক্রান্ত বিষয়গুলো ছিল- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
- বর্তমানে পর্যটন শিল্প বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত ।
- বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড গঠিত ২০১০ সালে।
শিল্প কারখানা | অবস্থান |
|---|---|
| বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি | গাজীপুর |
| বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার | ইস্টার্ন রিফাইনারি, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম |
| দেশের সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম তৈরির কারখানা | ইস্টার্ন ক্যাবলস, চট্টগ্রাম |
| বাংলাদেশ টেলিফোন শিল্প সংস্থা | টঙ্গী, গাজীপুর |
| বাংলাদেশর মোটর সাইকেল সংযোগ কারখানা | টঙ্গী, গাজীপুর |
| বাংলাদেশের একমাত্র অস্ত্র কারখানা | জয়দেবপুর, গাজীপুর |
| বাংলাদেশের প্রথম কয়লা শোধনাগার | বিরামপুর হার্ড কোল লিমিটেড, দিনাজপুর |
| বাংলাদেশের একমাত্র রেয়ন মিল | কর্ণফুলী রেয়ন মিল, চন্দ্রঘোনা, রাঙামাটি |
| বাংলাদেশে সাইকেল তৈরির কারখানা অবস্থিত | ঢাকায় |
| বাংলাদেশ সর্বশেষ প্রবেশ করেছে। | হোম টেক্সটাইল শিল্পে |
জেনে নিই
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাত: রাজস্ব।
- ভ্যাট হচ্ছে: পরোক্ষ কর।
- আবগারি শুল্ক: দেশে উৎপাদিত পণ্যের উপর নির্ধারিত কর।
- ভ্যাট : বিক্রয়মূল্যের অতিরিক্ত ও বিকল্প হিসেবে আরোপিত কর।
- সরকারি কাজে ফার্সি ভাষা চালু করেন: আকবরের অর্থমন্ত্রী টোডরমল।
- সরকারি কাজে ফার্সির বদলে ইংরেজি চালু হয়: ১৮৩৭ সালে।
- ইংল্যান্ডে প্রথমবারের মত ইংরেজি আদালতের ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায় ১৩৬২ সালে।
Related Question
View All-
ক
ধর্মভিত্তিক ভ্রমণ
-
খ
ক্রীড়া পর্যটন
-
গ
বাণিজ্যিক ও পেশাগত ভ্রমণ
-
ঘ
ঐতিহ্যবাহী ভ্রমণ
-
ক
পর্যটনের মাধ্যমে বিদেশি অর্থের আগমন
-
খ
রপ্তানি পণ্যের বিজ্ঞাপন
-
গ
পর্যটনের সঙ্গে রপ্তানি পণ্য পাঠানো
-
ঘ
স্থানীয় শিল্প বিক্রি
-
ক
পরিবহন
-
খ
শিল্প
-
গ
সেবা
-
ঘ
ব্যাংকিং
-
ক
১৯৭০
-
খ
১৯৭১
-
গ
১৯৭২
-
ঘ
১৯৭৩
-
ক
পর্যটকরা বেশি খরচ করে
-
খ
সব পর্যটক স্থানীয় নয়
-
গ
মুনাফা স্থানীয়দের কাছে না থেকে অন্যদের হাতে চলে যায়
-
ঘ
সরকার কর নেয়
-
ক
একই গন্তব্যে নতুন নতুন প্রকল্প যুক্ত করা
-
খ
সহ পর্যটককে একই রুটে নিয়ে যাওয়া
-
গ
কেবল বিনোদনভিত্তিক আয়োজন
-
ঘ
আন্তর্জাতিক পর্যটককেই প্রাধন্য নেওয়া
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন